1. mahadihasaninc@gmail.com : admin :
  2. hossenmuktar26@gmail.com : Muktar hammed : Muktar hammed
১৭ তারিখের পর সরকারের সাথে মাঠে দেখা হবে : বিএনপি নেতা ইকবাল - dailybanglakhabor24.com
  • May 10, 2024, 7:00 am

১৭ তারিখের পর সরকারের সাথে মাঠে দেখা হবে : বিএনপি নেতা ইকবাল

  • Update Time : শুক্রবার, ডিসেম্বর ৮, ২০২৩ | দুপুর ১:০০
  • 20 Time View

অনলাইন প্রতিবেদক
ডিসেম্বরের ১৭ তারিখের পরে সরকারের সঙ্গে মাঠে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। দেশের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, ১৭ তারিখ সরকারের কূটকৌশল শেষ করে যখন তারা মাঠে নামবে তখন আমাদের সঙ্গে তাদের মাঠে দেখা হবে। ১৭ তারিখের পর থেকে আমাদের আন্দোলনের ধারা অন্য রকম হবে।
কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির এই নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ ঘরানার একই ঘরে তিন/চার/পাঁচজন প্রার্থী হয়ে তারা লড়াই করবে। এসময় তারা ঘরে ঘরে যুদ্ধ করবে আর আমরা তখন দেখবো। আগামীতে কারো কোন লাল বার্তা বা নীল বার্তার দরকার নেই। প্রত্যেকের প্রয়োজনে তুষের আগুনের মতো যে আগুন জ্বলছে, তা বিস্ফোরণ ঘটবে।
বিস্ফোরণ ছাড়া বাঁচার আর কোন উপায় নেই। আগামীর আন্দোলনে কেউ আর ঘরে বসে থাকবে না, কেউ পর্দার অন্তরালে থাকবে না, কেউ আর আন্দােলনের বাহিরে গিয়ে কৌশলে আত্মগোপনে থাকবে না।
তিনি বলেন, যার যার প্রয়োজনে, দেশ বাঁচানোর প্রয়োজনে, দেশের মানুষকে বাঁচানোর প্রয়োজনে, সংবিধান বাঁচানোর প্রয়োজনে, গণতন্ত্র রক্ষার এবং মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার প্রয়োজনে সবাই সবার জায়গা থেকে আত্মপ্রকাশ করবে।
তিনি আরও বলেন, ১৭ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচনের একটা ধারা আছে।
১৭ তারিখের পর নির্বাচনের আর কিছু থাকে না। তারপর থেকেই বোঝা যায় নির্বাচন প্রক্রিয়া পুরোপুরি চলমান। যেহেতু নির্বাচনের যে নাটক চলছে- একই দল থেকে দুই, তিন এবং চারজন প্রার্থী করে কাউকে অবৈধ ঘোষণা করছে, তাদের আবার বৈধ করা হবে। এটা সরকারের একটা কূটকৌশল। ১৭ তারিখ সরকারের কূটকৌশল শেষ করে যখন তারা মাঠে নামবে তখন আমাদের সঙ্গে তাদের মাঠে দেখা হবে।
নির্বাচনের প্রচারণা যাতে না করতে পারে তার প্রয়োজনীয় যত রকম পদক্ষেপ দরকার, যেভাবে বাধা দেওয়া দরকার, নির্বাচন বন্ধ করা দরকার তা করা হবে। ১৭ তারিখের পর থেকে আমাদের আন্দোলনের ধারা অন্য রকম হবে। নির্বাচন প্রতিহত করার জন্য আমরা ১৭ তারিখ থেকে মাঠে থাকবো। তবে আমাদের থেকে আরও বেশি লোক থাকবে আওয়ামী ঘরানার লোক। কারণ তারা একই দলের একাধিক প্রার্থী দিয়েছেন। আর তারা একজন আরেকজনকে প্রতিহত করবে এতেই আওয়ামী লীগ এবং সরকারের নির্বাচন শেষ।
বিএনপির শীর্ষ নেতাদের বেশিরভাগই জেলে আছেন জানিয়ে কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির এই নেতা বলেন, এরপর যে ইউনিটের সভাপতি নেই সেই ইউনিটের সেক্রেটারি, সেখানে সেক্রেটারি নেই সেখানে সভাপতি এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে স্ব স্ব অবস্থান থেকে আন্দোলন করতে। উপর থেকে কি নির্দেশনা এলো আর কি এলো না এটার জন্য নেতাকর্মীরা বসে নেই। যার যার বিবেক এবং অবস্থান থেকে এই আন্দোলন চলমান। আর আগামীতে আর নেতার প্রয়োজন হবে না, সিদ্ধান্তেরও প্রয়োজন হবে না, জনগণ যেটা ভালো মনে করবে জনগণ তাদের অবস্থান থেকেই নির্বাচন প্রতিহত করবে।
বিজয় নিকটে না দূরে সেটা বলা মুশকিল কিন্তু আমাদের আন্দোলনই প্রমাণ করবে এই বিজয়টা কতদূর। আমাদের নির্দেশনা দেওয়া আছে স্ব স্ব অবস্থান থেকে আন্দোলন গড়ে তোলার। আমাদের আন্দােলন জেলা থেকে উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, এখন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে পৌঁছে যাবে। আরেকটা মুক্তিযুদ্ধের পূর্বাভাস এই দেশে শুরু হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category