1. mahadihasaninc@gmail.com : admin :
  2. hossenmuktar26@gmail.com : Muktar hammed : Muktar hammed
কৌশলী অবস্থান, তলে তলে তৎপর নেতারা - dailybanglakhabor24.com
  • May 9, 2024, 5:50 am

শিরোনামঃ

কৌশলী অবস্থান, তলে তলে তৎপর নেতারা

  • Update Time : বুধবার, এপ্রিল ১২, ২০২৩ | সকাল ১১:৫০
  • 64 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন পাঁচ সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করলেও মেয়র পদে প্রার্থী দেওয়া নিয়ে কৌশলী অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। দলীয় সূত্র বলছে, পাঁচ সিটিতে মেয়র পদে কেউ স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচন করলে বিএনপি তাকে বাধা দেবে না। তাই অনেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। নেতারা বলছেন, সিটি নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে মাঠকর্মীদের চাপ রয়েছে।
তাই কেউ কেউ ভিতরে ভিতরে ভোটের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যাতে দলীয় সিদ্ধান্ত পেলে সিটি ভোটে মেয়র পদে প্রার্থী হতে পারেন।   তফসিল অনুযায়ী- প্রথম দফায় গাজীপুর সিটিতে করপোরেশনে ভোট হবে ২৫ মে; দ্বিতীয় ধাপে ১২ জুন খুলনা ও বরিশাল সিটিতে এবং তৃতীয় ধাপে ২১ জুন রাজশাহী ও সিলেট সিটিতে ভোট হবে। জানা গেছে, বরিশাল সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বিএনপির একঝাঁক নেতা প্রস্তুত রয়েছেন।
দলের হাইকমান্ডে সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছেন তারা। তবে মেয়র পদে স্বতন্ত্র নির্বাচন করার আগ্রহ দেখিয়েছেন দুজন। মেয়র পদে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে রাজশাহী বিএনপি। কাউকে তারা সমর্থনও দেবে না।
খুলনায় দ্বিধাবিভক্তিতে রয়েছে বিএনপি। একজন নেতা বলেছেন, নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে মাঠের কর্মীদের চাপ রয়েছে। গাজীপুরের ভোটের মাঠে অন্যান্য দল থাকলেও বিএনপি নেতা-কর্মীরা নেই। সিলেটে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র পদে বিএনপির কোনো নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। তবে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হতে পাঁচ সিটিতেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা।নিজস্ব প্রতিবেদক ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
গাজীপুরে নির্বাচনী মাঠে দেখা নেই বিএনপি নেতাদের : ২৫ মে গাজীপুর সিটিতে ভোট। তফসিল ঘোষণায় এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মাঠে নেই বিএনপি। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতারা মাঠে রয়েছেন। গাজীপুর জেলা ও মহানগর বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, এ সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার আগের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে দল। দল নির্বাচনে এলে দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত গাজীপুর সিটির প্রথম নির্বাচনে পরাজিত হন আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. আজমত উল্লা খান। বিজয়ী হন বিএনপি সমর্থিত অধ্যাপক এম এ মান্নান। ২০১৮ সালের ২৬ জুন অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম। পরাজিত হন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মাজহারুল আলম বলেন, দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বর্তমান সরকারের অধীনে বিএনপি আর কোনো নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না। তবে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে নির্বাচন করার মতো যোগ্য প্রার্থী বিএনপির আছে। তারাও দলের হাই কমান্ডের সিদ্ধান্তের প্রতি অনুগত আছেন। গাজীপুর মহানগর বিএনপি বিগত দুটি মেয়র নির্বাচনে জনগণের সমর্থন পেয়েছে।
নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং গত নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, ‘দল যদি নির্বাচন করে, তাহলে আমি অবশ্যই নির্বাচন করব। ’ এ ছাড়া দল নির্বাচনে অংশ নিলে গাজীপুর মহানগর বিএনপির সদস্যসচিব শওকত হোসেন সরকার মেয়র পদে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানা গেছে।
বর্তমানে গাজীপুর সিটির ৫৭টি ওয়ার্ড ও ১৯টি সংরক্ষিত আসনসহ মোট কাউন্সিলর ৭৬ জন। এদের মধ্যে ডজনখানেক বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী জয়লাভ করেছিল। পরবর্তীতে এদের মধ্য থেকে কয়েকজন দল ত্যাগ করেন। এবারও মেয়র পদে দলীয়ভাবে বিএনপি অংশ না নিলেও কাউন্সিলর পদে প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই বিএনপি সমর্থক প্রার্থীরা অংশ নেবেন বলে জানা গেছে।
রাজশাহীতে কাউন্সিলর পদে মাঠে থাকবে বিএনপির প্রার্থী : রাজশাহী সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্তে অটল আছে বিএনপি। তবে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হতে তৎপরতা চালাচ্ছেন স্থানীয় নেতারা। গত নির্বাচনের পর অনেকে বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন। এবার ওইসব ওয়ার্ডে অন্য বিএনপি নেতারা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মিজানুর রহমান মিনু বলেন, মেয়র পদে তারা কোনো প্রার্থী দিচ্ছেন না। আবার কাউকে সমর্থনও দিচ্ছেন না। সিটি নির্বাচন নিয়ে তাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। কাউন্সিলর পদে কেউ প্রার্থী হলে নিজ দায়িত্বে হবেন। দল কাউকে এ পদেও সমর্থন ও মনোনয়ন দেবে না।
খুলনায় মেয়র পদে নেই বিএনপিকাউন্সিলর পদে প্রস্তুতি : খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে তফসিল ঘোষণার পর দ্বিধাবিভক্তিতে রয়েছে বিএনপি। সবশেষ ২০১৮ সালের ১৫ মে সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও এবার মেয়র পদে আগ্রহ দেখাচ্ছে না বিএনপি নেতারা। তবে ওয়ার্ড ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে প্রস্তুতি নিয়েছেন বিএনপি সমর্থিত বর্তমান ও সাবেক কাউন্সিলররা। ভোটের মাঠের পরিস্থিতি বুঝে আলোচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন তারা। জানা যায়, কেসিসি নির্বাচনে খুলনায় আওয়ামী লীগের পাশাপাশি ভোট প্রাপ্তিতে সমান দাপট রয়েছে বিএনপির। ইতোপূর্বে কেসিসি নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরাই সবচেয়ে বেশি জয় পেয়েছেন। ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক নৌকা প্রতীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫১ ভোট পেয়ে মেয়র নির্বাচিত হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু পান ১ লাখ ৯ হাজার ২৫১ ভোট। এর আগে ২০১৩ সালের নির্বাচনে তালুকদার আবদুল খালেককে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন বিএনপির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান।
জানা যায়, নির্বাচন নিয়ে খুলনায় কৌশলী অবস্থানে রয়েছে বিএনপি। নেতা-কর্মীরা বলছেন, নির্বাচনে গেলে মেয়র পদে প্রার্থী হতে পারেন বর্তমান মহানগর আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা অথবা সাবেক মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। শফিকুল আলম মনা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। তবে সাবেক মহানগর সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘জনগণ চায় আওয়ামী লীগ যেন ফাঁকা মাঠে ওয়াকওভার না পায়। নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে মাঠের কর্মীদের চাপ রয়েছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে আন্দোলনের অংশ হিসেবে নেওয়া উচিত। তাতে এই সরকারের আমলে নির্বাচন কমিশন যে ফেয়ার ইলেকশন করতে পারে না এটা বলতে পারব। তবে এ ক্ষেত্রে কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত। গ্রিন সিগন্যাল না দিলে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নাই।
এদিকে সবশেষ সিটি ভোটে বিজয়ী বিএনপির আটজন কাউন্সিলর ২০১৯ সালের ২৫ মার্চ আওয়ামী লীগে যোগ দেয়। আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়া কাউন্সিলরদের বেইমান আখ্যা দিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দেয় বিএনপি।
কাউন্সিলর পদে আগ্রহীদের অনেকে বলছেন, সিটি ভোটে কাউন্সিলর পদে দলের প্রভাব কম থাকে। অতীতে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েও অনেকে বিজয়ী হয়েছেন। এ জন্য ভোট সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েও নির্বাচনের ঝুঁকি নিতে চান কয়েকজন। তবে মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক শফিকুল আলম মনা বলেছেন, কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে কেউ সিটি নির্বাচনে অংশ নিলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালে প্রস্তুত বিএনপির একঝাঁক নেতা : বরিশাল সিটি করপোরেশনের (বিসিসি) মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বিএনপির একঝাঁক নেতা প্রস্তুত থাকলেও উচ্চ মহলের সবুজ সংকেত না পেলে নির্বাচন করবেন না তারা। মেয়র পদে স্বতন্ত্র নির্বাচন করার আগ্রহ দেখিয়েছেন বিএনপির প্রয়াত সাবেক মেয়র আহসান হাবীব কামালের ছেলে কামরুল আহসান রূপন। মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক প্যানেল মেয়র আলতাফ মাহমুদ সিকদারের নাম শোনা গেলেও তিনি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে যাবেন না বলে জানিয়েছেন।
এদিকে বিএনপি ঘরানার সাবেক ও বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলররাও এবার নির্বাচন করা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে রয়েছেন। দলের সবুজ সংকেত না পেলে তারাও কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে জানিয়েছেন।
গত ৩ দশকে বরিশাল শহর বিএনপির ‘ঘাঁটি’ তকমা পেয়েছে। বিএনপির মনোনয়নে সদর আসন কিংবা সিটি করপোরেশনে যিনিই প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক না কেন তার জয়ের পথ অনেকটা সহজ হয়ে যায়। এ কারণে বরিশাল সদর কিংবা সিটিতে বিএনপির মনোনয়ন পেতে উন্মুখ সিনিয়র নেতারা। এবারের সিটি নির্বাচনে অংশ নিতে বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সাবেক সংরক্ষিত এমপি বিলকিস জাহান শিরিন, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবায়দুল হক চাঁন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান ফারুক এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক প্যানেল মেয়র আলতাফ মাহমুদ সিকদার আগেভাগে নানা প্রস্তুতি নিয়েছেন বলে রাজনীতির মাঠে গুঞ্জন রয়েছে। কিন্তু বিএনপি এই সিটি নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় চুপসে গেছেন তারা। বিলকিস জাহান শিরিন, এবায়দুল হক চাঁন, মনিরুজ্জামান ফারুক এবং আলতাফ মাহমুদ সিকদার প্রত্যেকেই দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না বলে জানিয়েছেন। এদিকে বিএনপি সিটি নির্বাচনে অংশ না নিলেও বিএনপি ঘরানার ভোট টানতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ দেখিয়েছেন বিএনপির প্রয়াত সাবেক মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে এবং ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সদস্য কামরুল আহসান রূপন। আগামী ১৫ এপ্রিল বরিশালে সাংবাদিকদের সম্মানে আয়োজিত ইফতার অনুষ্ঠানে রূপন নিজের প্রার্থিতা ঘোষণা করবেন বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা। এদিকে মেয়র পদের মতো কাউন্সিলর পদে নির্বাচন নিয়েও সংশয়ে রয়েছেন বিএনপি ঘরানার সাবেক ও বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলররা।
তবে বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপিপন্থি সাবেক ও বর্তমান কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের অনেকেই এবার নির্বাচন করতে আগ্রহী। এ ছাড়া বিএনপির বিভিন্ন ওয়ার্ডের পদবিধারী অনেক নেতাও কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করতে চান। দলের সিদ্ধান্ত পেলে প্রকাশ্য প্রচারণায় নামবেন তারা। অন্যথায় চুপ থাকবেন বলে তারা জানিয়েছেন।
নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে বিএনপির বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, নিশিরাতের সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। এই সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে অংশ নিতে কাউকে সবুজ সংকেত দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে চাইলে সেটি তার ব্যক্তিগত ব্যাপার বলে মন্তব্য করেন শিরিন।
সিলেটে নির্বাচনের প্রস্তুতি অর্ধশত বিএনপি নেতার : বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা অনেক আগেই দিয়ে রেখেছে বিএনপি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রাজপথে নানা কর্মসূচি নিয়ে সরব দলটি। এই অবস্থায় আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচন। ওই নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে মেয়র পদে নির্বাচন করবেন না বর্তমান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী- এমন গুঞ্জন এখন সিলেটজুড়ে। কিন্তু মেয়র পদে বিএনপির কোনো নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে সরব রয়েছেন দলের অনেক নেতা। সিলেট সিটি করপোরেশনের ৪২টি ওয়ার্ডে অন্তত অর্ধশত নেতা কাউন্সিলর পদে নির্বাচনের জন্য নানাভাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। কেউ এলাকার লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন, আবার কেউ ব্যানার ফেস্টুন লাগিয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন। সিলেট সিটি করপোরেশনের বর্তমান পরিষদে রয়েছেন বিএনপির অন্তত এক ডজন কাউন্সিলর। এদের প্রায় সবাই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। উন্নয়ন কর্মকা- তদারকি, বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগদান, ইফতার মাহফিল আয়োজনসহ নানাভাবে তারা জনসম্পৃক্ততা বাড়াচ্ছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপি দলীয় বর্তমান কাউন্সিলরদের সবাই আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। প্রয়োজনে দলীয় পদে ইস্তফা দিয়ে হলেও তারা নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে দলীয় নেতাদের প্রচারণা প্রসঙ্গে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘যারা দলের আদর্শ লালন করেন তারা দলের সিদ্ধান্ত মেনে নির্বাচন থেকে বিরত থাকবেন। বিএনপি বর্তমান সরকারের অধীনে কোনো ধরনের নির্বাচনে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এর পরও সিটি নির্বাচনে কেউ প্রার্থী হলে কেন্দ্র থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category